যীশু বলেছিলেন তারা একটা গাধা ও তার একটা বাচ্চা বাঁধা অবস্থায় পাবে .
ভাববাদী ভবিষৎবাণী করেছিলেন যে সেই রাজা গাধায় চড়ে আসবেন এবং গাধার বাচ্চায় চড়ে আসবেন .
লোকেরা তাদের গায়ের কাপড় রাস্তায় পেতে দিয়েছিল এবং রাস্তায় গাছের ডাল বিছিয়ে দিয়েছিল.
লোকেরা চিৎকার করে বলেছিল, "হোশান্না দায়ূদ সন্তান, ধন্য, যিনি প্রভুর নাম আসছেন, উর্দ্ধলোকে হোশান্না" .
যীশু সবাইকে তাড়িয়ে দিয়েছিল যারা মন্দিরে কেনা ও বেচা করছিল এবং যারা টাকা পরিবর্তন এবং পায়রা বিক্রি করছিল তাদের টেবিল উল্টে দিয়েছিল .
যীশু বলেছিলেন যে ব্যবসায়ীরা ঈশ্বরের মন্দিরকে ডাকাতদের গুহায় পরিনত করেছিল.
যীশু ভাববাদীর কথা উল্লেখ করেছিলেন যিনি বলেছিলেন যে ঈশ্বর শিশুদের ও দুগ্ধপোষ্যদের মুখ দিয়ে প্রশংসা সম্পন্ন করবেন.
যীশু ডুমুর গাছকে শুকিয়ে দিয়েছিলেন কারণ এটায় কোন ফল ছিল না.
যীশু তাঁর শিষ্যদের শিক্ষা দিয়েছিলেন যে যদি তারা বিশ্বাসে প্রার্থনায় চায়, তবে তারা তা পাবে.
সেই মহাযাজক ও প্রাচীনেরা জানতে চান যীশু কোন ক্ষমতায় এসব করছেন.
তারা জানত যে যীশু তাহলে তাদের জিজ্ঞাসা করবে কেন তারা যোহনকে বিশ্বাস করেনি .
তারা জনতাকে ভয় পেয়েছিল, যারা যোহনকে ভাববাদী বলে মানত.
সেই ছেলে যে প্রথমে বলেছিল সে যাবে না এবং কাজ করবে না, কিন্তু পরে সে তার মন পরিবর্তন করে এবং কাজ করতে যায়.
যীশু বলেছিলেন তারা স্বগ রাজ্যে প্রবেশ করেছে কারণ তারা যোহনকে বিশ্বাস করেছে, কিন্তু মহাযাজক ও অধ্যাপকেরা যোহনকে বিশ্বাস করেনি .
দাক্ষাক্ষেত্র নির্মাণ করার পর ও তা ভাড়া দেওয়ার পর, মালিকটি একটি যাত্রায় চলে গিয়েছিলেন .
আঙ্গুর চাষীরা সেই দাসেদের একজনকে মারে, একজনকে খুন করে এবং একজনকে পাথর মারে .
বাগানের মালিক শেষ পর্যন্ত নিজের ছেলেকে পাঠিয়ে ছিল.
আঙ্গুর চাষীরা মালিকের ছেলেকে খুন করে চিইল.
লোকেরা বলে যে মালিকের উচিত প্রথমে আঙ্গুর চাষীদের ধ্বংস করা এবং তারপর অন্য আঙ্গুর চাষীদের তা ভাড়া দেওয়া যারা সঠিক সময়ে আঙ্গুরের ভাগ দিতে পারবে .
যীশু বলেছিলেন যে ঈশ্বরের রাজ্য মহাযাজক এবং ফরীশীদের থেকে নিয়ে নেওয়া হবে আর তা দেওয়া হবে এমন এক দেশকে যা এর ফল নিয়ে আসবে.
তারা লোকেদের ভয় করত, কারণ লোকেরা যীশুকে ভাববাদী বলে মানত.